সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং সুবিধা কি?

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার: বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে মানুষের এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্ভরশীলতা বাড়ার সাথে সাথে, ব্যবসাগুলোর প্রচার প্রচারণা ও যেন হয়ে গেছে অনলাইন ভিত্তিক। তবে ব্যবসা অনলাইন হোক বা না হোক, বিক্রয় বাড়াতে এখন মানুষ তাদের প্রচার এবং ক্যাম্পেইন অনলাইন এর মাধ্যমেই করছে। কারণ এখন মানুষের নজর রেডিও, টেলিভিশন কিংবা সংবাদপত্রের চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি থাকে। এখানে বিজনেস এর প্রচার সহজ এবং ফিডব্যাক ও বেশি পাওয়া যায়। তাই এখন সবার আগ্রহের শীর্ষে আছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আর সোশ্যাল মিডিয়া তে অ্যাডভারটাইজিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েট এবং বিভিন্ন ধরনের কাজ করে একটি প্রতিষ্ঠান এর ভাবমূর্তি বজায় রাখে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকে। বর্তমানে ব্যবসায়ের নানা ধরনের কাজে দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে নিয়োগ দেওয়া হয়। চলুন পড়ে আসি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর কাজ কি কি, ব্যবসায় সফল হতে হলে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সুবিধাগুলোঃ- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার একজন প্রফেশনাল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ম্যানেজার হায়ার করতে হলে আপনাকে জানতে হবে তিনি আপনার প্রতিষ্ঠান এর কি কি ধরনের কাজ সম্পাদনা করবে।ম্যানেজাররা আপনার বিজনেস বা প্রতিষ্ঠান এর সাথে গ্রাহকদের সুসম্পর্ক স্থাপন করবে। আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ডিং, অ্যাডভারটাইজিং, কন্টেন্ট রাইটিং, ক্যামপেইনিং, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, মার্কেটিং কৌশল,বাজেট তৈরি থেকে শুরু করে সমস্ত কাস্টমার এর তাৎক্ষনিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং বিভিন্ন তথ্য দিয়ে কাস্টমারদের কে সাহায্য করাই তার কাজ। তাহলে বুঝতেই পারছেন, একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর গুরুত্ব কতটা! প্ল্যাটফর্ম বাছাই করাঃ একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার আপনার প্রতিষ্ঠান এর ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিং কোন প্ল্যাটফর্ম এ করলে বেশি গ্রাহক পাওয়া যাবে তা বাছাই করে থাকে। এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস সবার কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। ফলে বিজনেসের বিক্রয় ভালো হয়। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণঃ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার আপনার বিজনেস এর বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে থাকে। কিভাবে একটি বিজনেস কে ভালো পজিশনে দাড় করানো যায়, কিভাবে আই ক্যাচি করে বিজ্ঞাপন দিলে কাস্টমাররা আকৃষ্ট হয়, কিভাবে ছবি এডিটিং করলে দেখতে সুন্দর লাগে ইত্যাদি পরিকল্পনা একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার করে থাকে। বাজেট তৈরিঃ একটি প্রতিষ্ঠান এর প্রচার প্রচারণা করতে গেলে যত প্রকার খরচ হতে পারে তার সম্ভাব্য বাজেট তৈরি করে থাকে এবং বাজেট অপ্টিমাইজ করার ক্ষমতা রাখে একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। এস.ই.ও কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচারঃ একজন দক্ষ ম্যানেজার এর লেখালেখির দক্ষতা ও থাকতে হবে। কারণ বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ার সময় তাকে লিখতে হবে। খুব যে আহামরি দক্ষতা থাকতে হবে এমন টা না কিন্তু যাতে সাবলীল ভাষায় গ্রাহকদের কাছে সব তথ্য উপস্থাপন করতে পারে এরকম দক্ষতা থাকতে হবে। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার মত দক্ষতা ও তার থাকতে হবে। এক্ষেত্রে একজন এক্সট্রোভার্ট মানুষ হলে বেশি ভালো হয় যে কমফোর্টলি সব গ্রাহক কে ম্যানেজ করতে পারবে। তার লেখা গুলো হতে হবে বিষয়ভিত্তিক। বিজনেস কন্টেন্ট লেখার দক্ষতা থাকতে হবে অর্থাৎ অল্প কথায় একজন কাস্টমার কে বোঝাতে হবে আপনি কি বোঝাতে চাইছেন। লেখা সঠিক হতে হবে এবং ইনফোরমেটিভ হতে হবে। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর অবশ্যই এস.ই.ও সম্পর্কে ও বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টা বিশাল তাই এই বিশাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠান কে সবার সামনে তুলে ধরতে এস.ই.ও কনটেন্ট এর বিকল্প নেই। একজন কাস্টমার গুগল এ কিওয়ার্ড সার্চ করার মাধ্যমে যাতে আপনার প্রতিষ্ঠান এর সমস্ত তথ্য জানতে পারে, এই জন্য কন্টেন্ট এস.ই.ও করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এস.ই.ও কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস কে সবার সামনে উপস্থাপন করে। তাই এমন একজন ম্যানেজার কে হায়ার করুন যার এস.ই.ও এবং কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে ধারণা আছে। পিকচার এডিটিংঃ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এ মানুষ টেক্সট এর চাইতে পিকচার বেশি পছন্দ করে। দেখা যায়, ১০০০ হাজার ওয়ার্ড লিখে যা বোঝানো সম্ভব না একটা পিকচার দিয়েই তা বোঝানো সম্ভব। তাই অবশ্যই ভালো পিকচার এ্যাড করার দিকে নজর দিতে হবে। এক জরীপে দেখা গেছে, টুইটার এ ১৮ শতাংশের বেশি ক্লিক পড়ে সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো তে। টুইটার থেকেও বেশি এগিয়ে আছে ফেইসবুক। ফেইসবুক এ শুধুমাত্র ছবিতেই ১২০ শতাংশের বেশি ভিউ পাওয়া যায়। তাই বোঝাই যাচ্ছে বিজনেস সাকসেস করতে সুন্দর পিকচার এড করার ভূমিকা অনেক। তাই সুন্দর পিকচার এড করার দিকে নজর দেওয়া উচিত। কখনো কেও কেও যে পিকচার টা দেওয়া হয় শুধু সেই পিকচার টা দেখেই চলে যায়। নিচের লেখা টুকু পড়ে দেখে না। আবার কারো কারো টাইম ও থাকে না লেখা পড়ার মত। তাই দক্ষতার সাথে পিকচার এডিটিং করতে হবে যাতে একজন গ্রাহক পিকচার এর মাধ্যমেই সমস্ত তথ্য সম্পর্কে অবগত হয়। এক্ষেত্রে এমন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার নিয়োগ দিতে হবে যার পিকচার এডিটিং সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে। যে ফোটোশপ সফটওয়্যার দিয়ে পিকচার এডিটিং, লোগো ইত্যাদি তৈরি করতে পারবে। এর ফলে আপনার ডিজাইনার ও প্রয়োজন হবে না। গ্রাহকদের সাথে সেতুবন্ধনঃ একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর মূল কাজটাই হলো সে প্রতিষ্ঠান এর সাথে গ্রাহকদের সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। গ্রাহকরা যেন কোনো পণ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে সঠিক ধারণা টা পায় তা নিশ্চিত করবে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। গ্রাহকদের কে ভালো ভাবে বোঝাতে সক্ষম হতে হবে কেন তাদের প্রতিষ্ঠান এর প্রোডাক্ট টি কিনলে একজন কাস্টমার উপকৃত হবে। তবে মনে রাখতে হবে প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং এর চেয়ে ব্র্যান্ডিং বেশি কাজে দেয়। আবার ভুল ভাবে ব্র্যান্ডিং করার ফলে ও প্রতিষ্ঠান এর ক্ষতি হয়ে থাকে৷ তাই এক্ষেত্রে দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে ও নজর দিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিজ্ঞতাঃ প্রতিষ্ঠান এর জন্য ইফেক্টিভ বিজ্ঞাপন দেওয়া টা অনেক জরুরি এবং এটি সবার কাছে পৌঁছাতে পারাটাও অনেক চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। শুধু বিজ্ঞাপন তৈরি করলাম আর সেটা প্রতিষ্ঠান এর জন্য উপযুক্ত হবে এমনটা ও না। বুদ্ধি খাটিয়ে উপযুক্ত বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। আবার বিজ্ঞাপন এর প্ল্যাটফর্ম বাছাই করাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে, ভিডিও তৈরি করে ফেইসবুক এ দেওয়া যায়। আবার বর্তমান এ, পেইড বিজ্ঞাপন গুলো ও অনেক কাজ দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অথবা গুগলে পেইড বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার বিজনেস এর প্রোডাক্ট গুলো সবার সামনে তুলে ধরতে পারেন। এক জরীপে দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সফলতা পেয়েছে পেইড বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে। তাই কিভাবে বিজ্ঞাপন দিলে সবার কাছে পৌঁছানো সম্ভব, টার্গেটেড কাস্টমারই বা কারা সে সব বিষয়ে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে। উপরের ব্লগ টি পড়ে আপনি নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আপনার বিজনেস এর ক্ষেত্রে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন এতটা গুরুত্বপূর্ণ। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর কাজ সম্পর্কে জানতে ভিডিওটি দেখতে পারেন পরিশেষেঃ সাধারণত বড় বড় বিজনেস ম্যান এর এত সময় থাকেনা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করা, রিপ্লে দেওয়া, পোস্ট করা, বিজ্ঞাপন দেওয়া, পিকচার এড করা ইত্যাদি অনেক কাজ। তাই সবাই একজন ভালো সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে খোঁজে হায়ার করার জন্য। কিন্তু সব যায়গায় কি আপনি
প্রোডাক্ট সেলের জন্য কম্পিটিটর এনালাইসিস কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কোনভাবেই সেলস জেনারেট করতে পারছি না। আমাদের ভুল হচ্ছে না তো কোথাও? হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করছেন? ফেসবুক অ্যাড দিচ্ছেন, মার্কেটিং করছেন, বিভিন্ন লোকেশনে অ্যাড দিচ্ছেন, বিভিন্ন টারগেটিং করে অ্যাড দিচ্ছেন, বিভিন্ন অ্যাড অবজেক্টিভে অ্যাড দিচ্ছেন কাস্টমার কুয়েরিও পাচ্ছেন তারপর ও সেল হচ্ছে না!! আসলেই অবাক করা ব্যাপার তাই না?? এবং হতাশাজনক অবশ্যই। আচ্ছা সমস্যা মার্কেটিংয়ে না হয়ে সমস্যা অন্য জায়গায় না তো? আমার তো মনে হয় অন্য জায়গায়। তাহলে কি আমাদের কম্পিটিটর এনালাইসিস এ ভুল হচ্ছে? হয়তোবা তাই। তাহলে আমাদের এই সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় কি। “কম্পিটিটর এনালাইসিস” চলুন তাহলে এই তুচ্ছ জ্ঞানে সংক্ষিপ্ত আকারে কোন একটা সমাধান বের করার চেষ্টা করি। আমি আমার চোখের সামনে অনেক অনেক উদ্যোক্তাকে দেউলিয়া হয়ে যেতে দেখেছি। অনেক স্টার্টাপ এজেন্সিকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে দেখেছি। কারণ তারা কোনভাবেই নিজেদের খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছিল না। তাহলে আমরা এসব সমস্যা কিভাবে কাটিয়ে ব্যাবসায় পুরাদমে গতি ফিরিয়ে আনতে পারি? প্রথমতঃ আমাদের একজন উদ্যোক্তা হিসাবে প্রয়োজন ইনভেস্টমেন্ট এর মাইন্ডসেট বদলানো। এবং যেকোন ব্যবসার শুরু থেকেই প্রফিট এর আশা করলে আমাদের ভুল হবে। যেকোন কোন ব্যবসার ইনভেস্টমেন্ট অনেক ধরনের হতে পারে, হতে পারে সেটা সময়,মেধা,অর্থ,প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয় ইত্যাদি। দ্বিতীয়তঃ আমরা সবথেকে বেশী যে ভুলটা করে থাকি তা হলো, আমরা প্রফিট এর দিকে তাকিয়ে থেকে আমাদের হেড টু হেড কম্পিটিটর দিকে তাকানোর কথাই ভুলে যাই। ভুলে যাই আমাদের কম্পিটিটররা ঠিক একই ধরনের সার্ভিস দিতে গিয়ে কি কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করছে। আমরা কোনভাবে বোঝার চেষ্ঠাই করিনা আসলে সব ধরনের লোকসান,লোকসান নয়। অনেক ধরনের লোকসান এক প্রকার ইনভেস্টমেন্ট এর থেকেও দীর্ঘমেয়াদে বেশী কাজে দেয়। কম্পিটিটর এনালাইসিস কেন এত জরুরী? কম্পিটিটর এনালাইসিস আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে যে গ্রাহকরা কেন আপনার বা আপনার প্রতিযোগীদের কাছ থেকে কোন সার্ভিস নিতে আগ্রহী হয় এবং আপনার প্রতিযোগিরা কীভাবে তাদের পণ্য/সেবাগুলো বিক্রয় করছে। সময়ের সাথে সাথে, এটি আপনাকে আপনার নিজের মার্কেটিং স্ট্রাটেজিকে আরো উন্নত করতে সহায়তা করে। আপনার মার্কেটিং গ্যাপগুলো চিহ্নিত করার জন্য হলেও আপনার কম্পিটিটর এনালাইসিস করা উচিৎ। আপনি যখন কম্পিটিটর রিসার্স করেন, আপনি আপনার প্রতিযোগীদের শক্তি এবং দুর্বলতা বিশ্লেষণ করছেন এবং তা উপলব্ধি করছেন। আপনি সাম্প্রতিক ডাটা বিশ্লেষন করলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখতে পাবেন যে, আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকের বিশাল একটি অংশ রয়েছে যারা কোন না কোনভাবে আপনার কম্পিটিটরদের কাছে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকার হচ্ছে। এটি আপনার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি অনন্য অবস্থানে রাখতে পারে। কম্পিটিটর এনালাইসিস আপনাকে আরো যেভাবে সাহায্য করতে পারে নিজের সার্ভিস সম্পর্কে আত্মতৃপ্তি এড়াতে সহায়তা করে আপনার ব্র্যান্ড সতর্কতা তৈরিতে সহায়তা করে আত্ননির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ভিন্নতার দিকে ইতিবাচক উৎসাহ দেয় এটি আপনাকে নতুন ট্রেন্ডগুলি সনাক্ত করতে এবং সুবিধা নিতে সহায়তা করে কম্পিটিশন আপনার অগ্রগতির অপ্রত্যাশিত অংশীদার হতে পারে এটি আপনাকে পারস্পরিক সহায়তা ও শিক্ষার দিকে উৎসাহিত করে। কম্পিটিটর এনালাইসিস এবং প্রাইসিং কেন এত জরুরী, সেটা বোঝাতে এখন একটা উদারহন তুলে ধরা যাকঃ মনে করুন আপনি কোন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির স্বত্তাধীকারি। আপনার কোন একটি ডিজিটাল সার্ভিস অথবা ডিজিটাল প্রোডাক্ট ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুললে আপনার খরচ পড়েছে ১০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে ঐ সার্ভিসটি কারো কাছে যদি আপনি সেল করতে চান, আপনার অবশ্যই ইনটেশন থাকবে প্রফিট বের করা আর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যখন একজন ক্রেতার রোল প্লে করবেন তখন যদি আপনি ঐ একই সার্ভিস/প্রোডাক্ট ৬ হাজার টাকায় কারো কাছ থেকে পেয়ে যান সেক্ষেত্রে তো আপনি ১০ হাজার টাকা ব্যয় করতে যাবেন না। তাই আমাদের নতুন উদ্যোক্তা হিসাবে একটা কাস্টমার বেইজ তৈরি করার জন্য এবং ট্রাস্ট বিল্ড করার জন্য হলেও আমাদের কম্পিটিটরদের তুলনায় ভালো মানের সার্ভিস কম্পিটিটরদের দামেই দিতে হবে। তা নাহলে অলরেডি মার্কেটে যার একটা সুনাম আছে সে কেনো আমার মত একটা নতুন এজেন্সির কাছ থেকে সার্ভিস নিতে যাবে। এক্ষেত্রে আমাদের লস হলেও আসলে এই লসই হবে আমাদের সবথেকে উৎকৃষ্ঠমানের ইনভেস্টমেন্ট। তাই আমাদের উচিৎ হবে শুধুমাত্র প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর দিকে না তাকিয়ে থেকে, সার্ভিসকে সহজ এবং গ্রাহকদের সকল দিক বিবেচনা করে ডিজাইন করা। আমাদের উদ্ভাবন করতে হবে কিভাবে আমরা একই ধরনের প্রোডাক্ট/সার্ভিস প্রতিযোগীদের থেকে মান ভাল রেখে তুলনামুলক কম দামে সরবরাহ করতে পারি। আর সবথেকে বড় কথা হল, অনলাইনে আমরা শুধু দেখেই প্রোডাক্ট কিনি, ছুঁয়ে বা ডুরাবিলিটি দেখে না। তাই কাস্টমারদের বিশ্বাস অর্জনও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারন আপনার প্রোডক্ট বা প্রতিষ্ঠানের উপর যখন কোন গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জন হবে, তখন সে আপনার হয়ে অ্যাডভার্টাইজিং এর কাজ করে দিবে। একই ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর জন্য অবশ্যই সে তার পরিচিতজনদের রিকোমেন্ড করবে। পরিশেষেঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এভাবেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আপনাকে এই গতির সাথে মানিয়ে নেবার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগের ধরন ও প্রকৃতিতে ক্রমাগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে কম খরচে এবং পরিমাপযোগ্য উপায়ে এমন এক বিশাল সংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছে যেতে পারেন যারা আপনার বিজনেসের জন্য আদর্শ। আপনার টার্গেট কাস্টমার গ্রুপের সম্পর্কে জানুন, পরিকল্পনা করুন, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মার্কেটিং করুন আর বিজনেস বাড়ান। আপনি ও পারেন আপনার প্রয়োজনীয় সেবাটি গ্রহন করতে। আমরা চেষ্টা করবো আপনাকে সঠিক সার্ভিস দিতে। সেবা নিতে আপনার মোবাইল নাম্বার ও পেজ লিঙ্ক সহ কাজের ধরন সুন্দর করে মেসেজ করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেইজে। অথবা আমাদের কল করুন।