সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং সুবিধা কি?

সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার: বাংলাদেশসহ সারাবিশ্বে মানুষের এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্ভরশীলতা বাড়ার সাথে সাথে, ব্যবসাগুলোর প্রচার প্রচারণা ও যেন হয়ে গেছে অনলাইন ভিত্তিক। তবে ব্যবসা অনলাইন হোক বা না হোক, বিক্রয় বাড়াতে এখন মানুষ তাদের প্রচার এবং ক্যাম্পেইন অনলাইন এর মাধ্যমেই করছে। কারণ এখন মানুষের নজর রেডিও, টেলিভিশন কিংবা সংবাদপত্রের চেয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশি থাকে। এখানে বিজনেস এর প্রচার সহজ এবং ফিডব্যাক ও বেশি পাওয়া যায়। তাই এখন সবার আগ্রহের শীর্ষে আছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং। আর সোশ্যাল মিডিয়া তে অ্যাডভারটাইজিং, কন্টেন্ট ক্রিয়েট এবং বিভিন্ন ধরনের কাজ করে একটি প্রতিষ্ঠান এর ভাবমূর্তি বজায় রাখে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার বিভিন্ন ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকে। বর্তমানে ব্যবসায়ের নানা ধরনের কাজে দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে নিয়োগ দেওয়া হয়। চলুন পড়ে আসি একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর কাজ কি কি, ব্যবসায় সফল হতে হলে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন গুরুত্বপূর্ণ এবং এর সুবিধাগুলোঃ- সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার একজন প্রফেশনাল সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং ম্যানেজার হায়ার করতে হলে আপনাকে জানতে হবে তিনি আপনার প্রতিষ্ঠান এর কি কি ধরনের কাজ সম্পাদনা করবে।ম্যানেজাররা আপনার বিজনেস বা প্রতিষ্ঠান এর সাথে গ্রাহকদের সুসম্পর্ক স্থাপন করবে। আপনার কোম্পানির ব্র্যান্ডিং, অ্যাডভারটাইজিং, কন্টেন্ট রাইটিং, ক্যামপেইনিং, ব্যবসায়িক পরিকল্পনা, মার্কেটিং কৌশল,বাজেট তৈরি থেকে শুরু করে সমস্ত কাস্টমার এর তাৎক্ষনিক প্রশ্নের উত্তর দেওয়া এবং বিভিন্ন তথ্য দিয়ে কাস্টমারদের কে সাহায্য করাই তার কাজ। তাহলে বুঝতেই পারছেন, একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর গুরুত্ব কতটা! প্ল্যাটফর্ম বাছাই করাঃ একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার আপনার প্রতিষ্ঠান এর ব্র্যান্ডিং এবং মার্কেটিং কোন প্ল্যাটফর্ম এ করলে বেশি গ্রাহক পাওয়া যাবে তা বাছাই করে থাকে। এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস সবার কাছে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। ফলে বিজনেসের বিক্রয় ভালো হয়। ব্যবসায়িক পরিকল্পনা গ্রহণঃ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার আপনার বিজনেস এর বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা করে থাকে। কিভাবে একটি বিজনেস কে ভালো পজিশনে দাড় করানো যায়, কিভাবে আই ক্যাচি করে বিজ্ঞাপন দিলে কাস্টমাররা আকৃষ্ট হয়, কিভাবে ছবি এডিটিং করলে দেখতে সুন্দর লাগে ইত্যাদি পরিকল্পনা একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার করে থাকে। বাজেট তৈরিঃ একটি প্রতিষ্ঠান এর প্রচার প্রচারণা করতে গেলে যত প্রকার খরচ হতে পারে তার সম্ভাব্য বাজেট তৈরি করে থাকে এবং বাজেট অপ্টিমাইজ করার ক্ষমতা রাখে একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। এস.ই.ও কন্টেন্ট তৈরি ও প্রচারঃ একজন দক্ষ ম্যানেজার এর লেখালেখির দক্ষতা ও থাকতে হবে। কারণ বিভিন্ন পোস্ট দেওয়ার সময় তাকে লিখতে হবে। খুব যে আহামরি দক্ষতা থাকতে হবে এমন টা না কিন্তু যাতে সাবলীল ভাষায় গ্রাহকদের কাছে সব তথ্য উপস্থাপন করতে পারে এরকম দক্ষতা থাকতে হবে। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করার মত দক্ষতা ও তার থাকতে হবে। এক্ষেত্রে একজন এক্সট্রোভার্ট মানুষ হলে বেশি ভালো হয় যে কমফোর্টলি সব গ্রাহক কে ম্যানেজ করতে পারবে। তার লেখা গুলো হতে হবে বিষয়ভিত্তিক। বিজনেস কন্টেন্ট লেখার দক্ষতা থাকতে হবে অর্থাৎ অল্প কথায় একজন কাস্টমার কে বোঝাতে হবে আপনি কি বোঝাতে চাইছেন। লেখা সঠিক হতে হবে এবং ইনফোরমেটিভ হতে হবে। একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর অবশ্যই এস.ই.ও সম্পর্কে ও বিস্তারিত ধারণা থাকতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম টা বিশাল তাই এই বিশাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠান কে সবার সামনে তুলে ধরতে এস.ই.ও কনটেন্ট এর বিকল্প নেই। একজন কাস্টমার গুগল এ কিওয়ার্ড সার্চ করার মাধ্যমে যাতে আপনার প্রতিষ্ঠান এর সমস্ত তথ্য জানতে পারে, এই জন্য কন্টেন্ট এস.ই.ও করাটা গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এস.ই.ও কন্টেন্ট রাইটিং এর মাধ্যমে আপনার বিজনেস কে সবার সামনে উপস্থাপন করে। তাই এমন একজন ম্যানেজার কে হায়ার করুন যার এস.ই.ও এবং কন্টেন্ট রাইটিং সম্পর্কে ধারণা আছে। পিকচার এডিটিংঃ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম এ মানুষ টেক্সট এর চাইতে পিকচার বেশি পছন্দ করে। দেখা যায়, ১০০০ হাজার ওয়ার্ড লিখে যা বোঝানো সম্ভব না একটা পিকচার দিয়েই তা বোঝানো সম্ভব। তাই অবশ্যই ভালো পিকচার এ্যাড করার দিকে নজর দিতে হবে। এক জরীপে দেখা গেছে, টুইটার এ ১৮ শতাংশের বেশি ক্লিক পড়ে সুন্দর সুন্দর ছবিগুলো তে। টুইটার থেকেও বেশি এগিয়ে আছে ফেইসবুক। ফেইসবুক এ শুধুমাত্র ছবিতেই ১২০ শতাংশের বেশি ভিউ পাওয়া যায়। তাই বোঝাই যাচ্ছে বিজনেস সাকসেস করতে সুন্দর পিকচার এড করার ভূমিকা অনেক। তাই সুন্দর পিকচার এড করার দিকে নজর দেওয়া উচিত। কখনো কেও কেও যে পিকচার টা দেওয়া হয় শুধু সেই পিকচার টা দেখেই চলে যায়। নিচের লেখা টুকু পড়ে দেখে না। আবার কারো কারো টাইম ও থাকে না লেখা পড়ার মত। তাই দক্ষতার সাথে পিকচার এডিটিং করতে হবে যাতে একজন গ্রাহক পিকচার এর মাধ্যমেই সমস্ত তথ্য সম্পর্কে অবগত হয়। এক্ষেত্রে এমন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার নিয়োগ দিতে হবে যার পিকচার এডিটিং সম্পর্কে ভালো ধারণা আছে। যে ফোটোশপ সফটওয়্যার দিয়ে পিকচার এডিটিং, লোগো ইত্যাদি তৈরি করতে পারবে। এর ফলে আপনার ডিজাইনার ও প্রয়োজন হবে না। গ্রাহকদের সাথে সেতুবন্ধনঃ একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর মূল কাজটাই হলো সে প্রতিষ্ঠান এর সাথে গ্রাহকদের সুসম্পর্ক বজায় রাখবে। গ্রাহকরা যেন কোনো পণ্য সম্পর্কে প্রশ্ন করলে সঠিক ধারণা টা পায় তা নিশ্চিত করবে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। গ্রাহকদের কে ভালো ভাবে বোঝাতে সক্ষম হতে হবে কেন তাদের প্রতিষ্ঠান এর প্রোডাক্ট টি কিনলে একজন কাস্টমার উপকৃত হবে। তবে মনে রাখতে হবে প্রতিষ্ঠানের মার্কেটিং এর চেয়ে ব্র্যান্ডিং বেশি কাজে দেয়। আবার ভুল ভাবে ব্র্যান্ডিং করার ফলে ও প্রতিষ্ঠান এর ক্ষতি হয়ে থাকে৷ তাই এক্ষেত্রে দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার সিলেক্ট করার ক্ষেত্রে ও নজর দিতে হবে। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজ্ঞাপন দেওয়ার অভিজ্ঞতাঃ প্রতিষ্ঠান এর জন্য ইফেক্টিভ বিজ্ঞাপন দেওয়া টা অনেক জরুরি এবং এটি সবার কাছে পৌঁছাতে পারাটাও অনেক চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার। শুধু বিজ্ঞাপন তৈরি করলাম আর সেটা প্রতিষ্ঠান এর জন্য উপযুক্ত হবে এমনটা ও না। বুদ্ধি খাটিয়ে উপযুক্ত বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে একজন দক্ষ সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার। আবার বিজ্ঞাপন এর প্ল্যাটফর্ম বাছাই করাও অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিজ্ঞাপন এর ক্ষেত্রে, ভিডিও তৈরি করে ফেইসবুক এ দেওয়া যায়। আবার বর্তমান এ, পেইড বিজ্ঞাপন গুলো ও অনেক কাজ দিচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অথবা গুগলে পেইড বিজ্ঞাপন দেওয়ার মাধ্যমে আপনি আপনার বিজনেস এর প্রোডাক্ট গুলো সবার সামনে তুলে ধরতে পারেন। এক জরীপে দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সফলতা পেয়েছে পেইড বিজ্ঞাপন এর মাধ্যমে। তাই কিভাবে বিজ্ঞাপন দিলে সবার কাছে পৌঁছানো সম্ভব, টার্গেটেড কাস্টমারই বা কারা সে সব বিষয়ে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর বেসিক জ্ঞান থাকতে হবে। উপরের ব্লগ টি পড়ে আপনি নিশ্চয়ই বুঝে গেছেন আপনার বিজনেস এর ক্ষেত্রে একজন সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কেন এতটা গুরুত্বপূর্ণ। সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার এর কাজ সম্পর্কে জানতে ভিডিওটি দেখতে পারেন পরিশেষেঃ সাধারণত বড় বড় বিজনেস ম্যান এর এত সময় থাকেনা সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজমেন্ট করার। গ্রাহকদের সাথে যোগাযোগ করা, রিপ্লে দেওয়া, পোস্ট করা, বিজ্ঞাপন দেওয়া, পিকচার এড করা ইত্যাদি অনেক কাজ। তাই সবাই একজন ভালো সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার কে খোঁজে হায়ার করার জন্য। কিন্তু সব যায়গায় কি আপনি
ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ এর মধ্যে পার্থক্য কি?

আজ আমরা আলোচনা করবো ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ কি এবং এদের মাঝে কি কি পার্থক্য কড়াভাবে উপলব্ধি করা যায় সে সম্পর্কে। চলুন বিস্তারিত জেনে নিই। ওয়েবসাইট কি? ওয়েব পৃষ্ঠা, ছবি, অডিও, ভিডিও ও অন্যান্য ডিজিটাল তথ্যের সমষ্টিকে ওয়েবসাইট বলা হয়। যা ওয়েব সার্ভারে থাকে। ওয়েব পেইজ কি? এক ধরনের এইচটিএমএল ডকুমেন্টকে সাধারণত ওয়েব পেইজ বলা হয়। ইন্টারনেটের মাধ্যমে এবং ওয়েব ব্রাউজার এর সাহায্যে এটি সহজেই ব্যবহার করা যায়। আজকের দিনে বেশিরভাগ মানুষই ইন্টারনেট ব্যবহার করায় এর মাধ্যমে তারা বিভিন্ন ধরনের ওয়েবসাইট এবং ওয়েব পেইজ ভিজিট করে। অনেকগুলি ওয়েব পেইজের সমষ্টির দ্বারা তৈরিকৃত ওয়েবসাইটের মূল ভিত্তি হলো এই ওয়েব পেইজ। আলাদা আলাদা ইউ আর এল অ্যাড্রেসের মাধ্যমে যে কেউ নির্দিষ্ট ওয়েব পেইজট গ্রাহকেরা ব্যবহার করতে পারে। প্রতিটি ওয়েব পেইজে বিভিন্ন ধরনের ইনফরমেশন, এইচটিএমএল ডকুমেন্ট লেখা থাকে। যার কারণে এটিকে এইচটিএমএল ডকুমেন্টও বলা হয়। এক্ষেত্রে অনেকসময় অন্যান্য প্রোগ্রামিং ভাষাও ব্যবহার হতে পারে। প্রতিটি ওয়েব পেইজকে ইউজারের সামনে প্রদর্শন করানোর জন্য পেইজটিকে সার্ভারের সাথে কানেক্ট করতে হয়। মূলত সেখানেই নির্দিষ্ট ওয়েবপেজের সমস্ত ডাটা জমা হয়। যার কারণে কোন ভিজিটর নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ওয়েব পেইজে আসার পর সকল ডাটা দেখতে সক্ষম হয়। ল্যান্ডিং পেইজ কি? মার্কেটিং অথবা অ্যাডভার্টাইজিং ক্যাম্পেইন পরিচালনার উদ্দেশ্যে তৈরি করা একটি স্ট্যাটিক ওয়েব পেইজকে সাধারণত ল্যান্ডিং পেইজ বলা হয়। গুগল, বিং, ইউটিউব এবং ফেসবুক পেইজ থেকে ভিজিটরদের লিড কালেক্ট করার জন্য এই ল্যান্ডিং পেইজ ব্যবহৃত হয়। যে পেইজে ‘অ্যাড’ এর মাধ্যমে ভিজিটরদের ল্যান্ড করানো হয় সেই পেইজ এই ল্যান্ডিং পেইজের আওতাধীন। লিড ক্যাপচার পেইজ, সিঙ্গেল প্রোপার্টি পেইজ, স্ট্যাটিং পেইজ এবং ডেসটিনেশন পেইজ হলো ল্যান্ডিং পেইজের পরিচিত সিনোনিম। এবার চলুন প্রাতিষ্ঠানিক সংজ্ঞার পাশাপাশি বিস্তারিত জানতে কন্টিনিউ করি। একটি ল্যান্ডিং পেইজ সাধারণত অনেকটা ওয়েব পেইজের মতোই হয়। পাশাপাশি এটি ওয়েব সাইটেরই একটি অংশও বটে। নির্দিষ্ট কোন টপিককে টার্গেট করা হয় ল্যান্ডিং পেইজ ডিজাইন করার উদ্দেশ্যে। কনভার্সন রেট বাড়ানোর এবং ওয়েব সাইটের সেলস বাড়ানোর মতো বড় বড় উদ্দেশ্যে হাসিলের ক্ষেত্রে এই ল্যান্ডিং পেইজ ব্যবহৃত হয়। সাথে ‘লিড/কাস্টমারের ডাটা’ এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলি। যা পরবর্তীতে টার্গেটেড অডিয়েন্সে পরিনত হতে খুব একটা সময় নেয় না। এটি সাধারণত নির্দিষ্ট কোনো পন্যের মার্কেটিং এর জন্য তৈরি করা হয়। ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ এর মধ্যে পার্থক্য কি? উপরের আলোচনা থেকে আপনি বুঝতেই পারছেন ল্যান্ডিং পেজ এবং ওয়েবসাইট দুটি ভিন্ন ভিন্ন দুটি অংশ। চলুন ব্যাপারটা সম্পর্কে খোলাসা ধারণা তৈরি করা যাক। ল্যান্ডিং পেইজের ক্ষেত্রে তথ্যের দিক দিয়ে অফার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা দেওয়া থাকে। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে আপনার ব্যবসার ধরন সম্পর্কে সাধারণ আলোচনা থেকে শুরু করে অফারসহ পুরো কোম্পানি বা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত বিস্তারিত আলোচনা করা হয়ে থাকে। ল্যান্ডিং পেইজে অডিয়েন্স হিসেবে থাকে শুধু অফার সম্পর্কে আগ্রহী ব্যাক্তিরা। এর বাইরে কেউই তেমন একটা ল্যান্ডিং পেইজের অডিয়েন্স হিসেবে থাকে না। অন্যদিকে ওয়েবসাইটে সাধারণ বিষয় নিয়ে আগ্রহী ব্যাক্তিরাও অডিয়েন্সের কাতারে পড়তে পারে। হতে পারে তারা সাইটে জানার জন্য এসেছে কিংবা কোনো সার্ভিস বা পণ্য কেনার সিদ্ধান্ত নিতে এসেছে। ল্যান্ডিং পেইজের নেভিগেশনের ক্ষেত্রে লিমিটেড নেভিগেশনকে সবসময় প্রাধান্য দেওয়া হয়। অর্থ্যাৎ এতে নেভিগেশনের সংখ্যা একেবারেই কম থাকে। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের ক্ষেত্রে সকল নেভিগেশনই গ্রহণযোগ্য। এক্ষেত্রে এর সংখ্যা অনেকও হতে পারে। ল্যান্ডিং পেইজের উদ্দেশ্য থাকে শুধুমাত্র অফারের পণ্য সেল করা। আবার ওয়েবসাইটের উদ্দেশ্য থাকে কোম্পানি বা সার্ভিস সম্পর্কে সকলকে জানানো। উপরে আলোচনাটি পড়ে নিশ্চয় বুঝতে পেরেছেন দুটি একেবারেই আলাদা অংশ এবং দু’টোর উদ্দেশ্যই আলাদা আলাদা। আপনার ওয়েবসাইটের দর্শক হলো তারাই যারা আপনার ব্যবসার ধরন এবং আপনার দেওয়া পণ্য এবং সার্ভিসের প্রতি আগ্রহী৷ উদাহরণস্বরূপ, আপনার ফ্যাশন সম্পর্কিত সাইটে ফ্যাশনের দিকে আগ্রহী ব্যাক্তিরা বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে আরো জানতে বা আপনার অনলাইন স্টোর ব্রাউজ করতে আপনার ওয়েবসাইটে যেতে পারে। অপরদিকে একটি ল্যান্ডিং পেইজ আপনাকে আরো লক্ষ্যযুক্ত গ্রাহকের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করে থাকে। এই দলে উক্ত বিষয় সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানা ব্যাক্তিরাই বেশি থাকে। অর্থ্যাৎ তারা আগেভাগেই সেই সার্ভিস, সেই প্রোডাক্ট, সেই অফার সম্পর্কে জানে কিংবা জেনে এসেছে। বর্তমানে ল্যান্ডিং পেইজে ভিজিট করার মূল উদ্দেশ্য হলো অফারটি সম্পর্কে আরেকটু নিশ্চিত হয়ে নেওয়া এবং প্রোডাক্ট বা সার্ভিসটি কিনে নেওয়া। ধরুন, কেউ একজন তাদের এলাকায় ওয়েব ডিজাইনার খুঁজছেন। সার্চ রেজাল্টে তারা ল্যান্ডিং পেইজ খুঁজছেন এবং খুঁজে পেয়েছেনও বটে। পূর্বে থেকেই জানার কারণে পরবর্তীতে তারা উক্ত অফার সম্পর্কে আরেকটু নিশ্চিত হয়ে অর্ডারটি প্লেইস করে দিলেন। আশা করি আপনি একটি ল্যান্ডিং পেইজ এবং একটি ওয়েবসাইটের মধ্যে প্রধান পার্থক্যগুলি সম্পর্কে ইতিমধ্যেই জানতে পেরেছেন। চলুন এবার এগুলি ব্যবহারের সঠিক সময় সম্পর্কে আলোচনা করি। ওয়েবসাইট এবং ল্যান্ডিং পেইজ কখন, কি কাজে ব্যবহৃত হয়? উপরের তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায়, একটি ওয়েবসাইট হলো অডিয়েন্সকে আপনার ব্যবসা বা ব্র্যান্ড সম্পর্কে জানানোর সর্বোত্তম উপায়। আপনি আপনার সার্চ ইঞ্জিন র্যাঙ্কিং উন্নত করতে, ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে এবং অন্যান্য ধাপগুলিকে পরিপূর্ণ করতে আপনার ওয়েবসাইটটিকে ব্যবহার করতে পারেন। মূলত আপনার ওয়েবসাইট হলো আপনার ব্র্যান্ডের গল্প বলার এবং আপনার পণ্য বা সেবা প্রদানের কারণ ব্যাখ্যা করার আদর্শ জায়গা। আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে একটি পারফেক্ট মাধ্যম হলো এই ওয়েবসাইট। একটি ওয়েবসাইটকে কিভাবে সাজাবেন? একটি ওয়েবসাইট ল্যান্ডিং পেইজের চেয়ে অনেক বেশ লম্বা হওয়ার ফলে একসাথে অনেক তথ্য প্রদান করা সম্ভব হয়। একটি ওয়েবসাইটে আপনি যেভাবে নিজের ব্র্যান্ডের গল্প বলতে পারেনঃ- About Page: এবাউট পেইজে আপনি আপনার নিজের কথা, আপনার মিশনের কথা, মূল্যবোধ এবং প্রেরণা ব্যাখ্যা করতে পারেন। FAQ Page: এই পেইজে আপনি আপনার ব্র্যান্ড সম্পর্কে ব্যবহারকারীদের জনপ্রিয় এবং বহুল আলোচিত বেশকিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিন। Contact Page: পাশাপাশি বিভিন্ন প্রশ্ন কিংবা বিষয় সম্পর্কে জানতে মানুষকে যোগাযোগ করার সুযোগ করে দিন এই পেইজের মাধ্যমে। একটি ওয়েবসাইটের জন্য যেসব পেইজ খুবই প্রয়োজনীয়ঃ- প্রোডাক্টের ধরুন অনুযায়ী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আলাদা করে সেসব প্রোডাক্টের ডেসক্রিপশন রেডি করুন এবং তা আপলোড করুন। আপনার দেওয়া প্রতিটি সার্ভিস সম্পর্কে বিস্তারিত বর্ণনা করুন যাতে ব্যবহারকারীরা সেগুলি আরো সহজে খুঁজে পেতে পারে। আপনি তাদের কাছাকাছি যে লোকেশনগুলি ব্যবহার করে সার্ভিস দিয়ে থাকেন, সেগুলি এড করুন। যাতে গ্রাহকের খুু্ঁজে পেতে সমস্যা না হয়। গ্রাহকের সাথে যোগাযোগের জন্য তাদের মতামত জানার জন্য ফোরামের ব্যবস্থা করুন। আপনার ওয়েবসাইটের এরইও করে নিতে আজই যোগাযোগ করুন আমাদের সাথে আমাদের রয়েছে সুদক্ষ এস ই ও এক্সপার্ট কিভাবে ল্যান্ডিং পেইজ সাজাবেন? চলুন ল্যান্ডিং পেইজ সাজানোর টেকনিক বা টিপস সম্পর্কে জেনে নিই। ল্যান্ডিং পেইজের পোস্ট হেডলাইনে আপনি আসল সুবিধা ছাড়াও অন্যান্য সুবিধা গুলো সম্পর্কে বলতে পারেন। আপনার প্রোডাক্টের সাথে যদি আপনি কোনো ফ্রি অফারের ব্যবস্থা করে থাকেন তবে এখানে তা উল্লেখ করে দিতে পারেন। সূচনা পর্বে ২/৪ তা লাইন এর মাধ্যমে পুরো পেইজে কি কি উল্লেখ করবেন তার সারমর্ম এড করে দিতে পারেন। পরবর্তীতে প্রতিটি সমস্যা ও তার সমাধান নিয়ে আলোচনা করুন। ধীরে ধীরে আপনার অফারটা ট্রাফিকের কাছে গুরুত্বের সাথে সামনে আনুন। আসল কথায় চলে আসার চেষ্টা
ক্রিয়েটিভ এজেন্সি বেছে নেয়ার ৫ টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস

আপনি কি একজন ব্যস্ত উদ্যোক্তা? আপনি কি আপনার ব্যবসা পরিচালনা করতে হিমশিম খাচ্ছেন? আপনার এক্সপার্টিস এর কমফোর্ট জোন থেকে বেরিয়ে এসে কি আপনাকে আপনার ব্যবসা ম্যানেজ করতে হচ্ছে? আর যদি আপনি আপনার স্টার্টাপের প্রাথমিক পর্যায়ে থাকেন, তাহলে আপনার জন্য ইন-হাউজ টিম গড়ে তোলাও অনেক ব্যয় সাপেক্ষ্য। সেক্ষেত্রে নামকরা কোন এজেন্সির সহায়তা নেওয়া হবে সাশ্রয়ী এবং আপনার ব্যবসার জন্য লাভজনক। আপনি বাংলাদেশের এমন অনেক বিখ্যাত এজেন্সি বা কোম্পানি পাবেন যারা আপনাকে সেবা দিতে ইচ্ছুক। আপনি কীভাবে বুঝবেন যে কোন ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সিটি আপনার ব্যাবসার জন্য উপযুক্ত? কোন ক্রিয়েটিভ এজেন্সি বাছাই করার আগে আপনাকে অবশ্যই কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করতে হবে। এবং তা আপনি কোন ধরণের ব্যবসায় পরিচালনা করছেন তার উপর নির্ভর করে। আপনার ওয়েব ডেভেলপমেন্ট/অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট বা ব্র্যান্ডিং/মার্কেটিং অথবা অ্যাডভারটাইজিং যে প্রয়োজনেই হোক না কেন, সেরা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি বাছাই করা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। সুতরাং, আপনার মনে একটি প্রশ্ন উঠতে পারে, “আমি কীভাবে সঠিক ক্রিয়েটিভ এজেন্সিটিকে বেছে নেব?” একটু সময় নিন এবং আমাদের আর্টিকেলটি ভালোভাবে পড়ুন! একটু পর আপনি নিজেই সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, এর জন্য আপনা কি করা দরকার। কারণ এই ব্লগপোষ্টটির উদ্দেশ্যই একটা আপনাকে সম্পূর্ণরূপে কোন ডিজিটাল মার্কেটিং কোম্পানি আপনার প্রজেক্টের জন্য উপযুক্ত কি না সেই বিষয়গুলো সম্পর্কে এক্সপার্ট করে তোলা। ক্রিয়েটিভ এজেন্সি নির্বাচনের আগে আপনার যা বিবেচনা করা উচিতঃ ইন্ডাস্ট্রি দক্ষতাঃ মনে করুন আপনি বাংলাদেশের সেরা ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কোম্পানি খুঁজছেন। আপনি কিভাবে সঠিকভাবে নির্বাচন করবেন? প্রথম জিনিস, আপনাকে কোম্পানির ক্রিয়েটিভ দক্ষতা বিবেচনা করা উচিত। আপনি কোম্পানির এমপ্লয়িদের প্রোগ্রামিং, ডিজিটাল মার্কেটিং বা গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রাসঙ্গিক ক্রিয়েটিভ অভিজ্ঞতা, দক্ষতা এবং জ্ঞান গবেষণা করে তাদের সম্ভাবনা মূল্যায়ন করতে পারেন। যদি তারা আপনার পছন্দসই এক্সপার্ট দিতে যথেষ্ট সক্ষম না হয় তবে এটি আপনার ব্যাবসার জন্য সঠিক নয়। সুতরাং আমরা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে তাদের এজেন্সি বা কোম্পানির প্রাসঙ্গিক দক্ষতা বের করার জন্য আপনাকে উত্সাহিত করবো। একটি এজেন্সি কি কি সার্ভিস দিচ্ছে সেটা নির্ভর করে তাদের কাজ এবং তাদের প্রিমিয়াম প্রোজেক্ট সরবরাহের মাধ্যমে।বুদ্ধির সাথে বিনিয়োগ করুন, এমন একটি এজেন্সি বেছে নিন যা আপনার ব্যবসা / ব্র্যান্ডের শীর্ষস্থানীয়সেবাগুলি সরবরাহ করার ক্ষেত্রে শীর্ষস্থানীয়। বৈচিত্র্যময় পোর্টফোলিওঃ ক্রিয়েটিভ এজেন্সির সাথে চুক্তিবদ্ধ হবার আগে, আপনি সিদ্ধান্ত নেবেন যে এজেন্সিটি আপনার ব্যাবসার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ কিনা তা তার পোর্টফোলিও দ্বারা বিচার করে। শুধু ভাবুন, আপনি যখন আপনার শরীরের গঠন এবং লাইফস্টাইল এর সাথে মেলে এমন পোশাক কিনতে যান, আপনাকে অবশ্যই স্টক থেকে সেরা পণ্যগুলির একটি বেছে নিতে হবে। বিভিন্ন সংগ্রহের ভিড়ে আপনি এমন পণ্যতে বিনিয়োগ করবেন যা আপনার পক্ষে সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। এবং আপনার এই একই চিন্তাভাবনা আপনার ব্যাবসার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করা গুরুত্বপূর্ণ । একজন বুদ্ধিমান ব্যাবসায়ী মালিক হিসাবে প্রথমে আপনার নির্বাচিত সেরা এজেন্সিগুলির পোর্টফোলিওগুলি দেখতে হবে। তারা এখন পর্যন্ত কি ধরণের প্রিমিয়াম সেবা প্রদান করে আসছে, তাদের কাজের প্রক্রিয়া কেমন, কোয়ালিটি কেমন এবং ক্লায়েন্টের সন্তুষ্টি পর্যালোচনা ইত্যাদি, বিশ্লেষণ করে একটি নির্ভরযোগ্য এবং অভিজ্ঞ এজেন্সিতে বিনিয়োগ করুন। তবে আপনাকে অবশ্যই দেখতে হবে যে, কোম্পনিটির পোর্টফোলিও আপনার ব্যবসার কাঠামোর সাথে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ এবং পাশাপাশি আপনার ইনভেস্টমেন্ট এর তুলনায় আয় বাড়াতে সহায়ক কিনা। আপনার স্বপ্নের ব্যাবসার উন্নতিতে ক্রিয়েটিভ এজেন্সি গুলি কিভাবে তাদের কাজ সম্পন্ন করতে পারে সে সম্পর্কে আপনার স্পষ্ট ধারণা থাকতে হবে। আপনার প্রশ্নটি হতে পারে কী সন্ধান করতে হবে ক্রিয়েটিভ এজেন্সিতে? সেটা জানার প্রয়োজনে বিভিন্ন পোর্টফোলিও পর্যালোচনা করে দেখাটাই প্রধান উপায় হবে। এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটিতে আপনার জন্য মূল বিবেচ্য বিষয় বলে মনে করা হচ্ছে। সুতরাং কোনো ফাইনাল চিন্তা করার আগে পোর্টফোলিওটি দেখুন। বর্তমানে এখন প্রায় সব এজেন্সির ফেসবুক পেজ রয়েছে । এর মাঝে কিছু এজেন্সি ফেসবুক মার্কেটিং করেই শুধু তাদের প্রচারনা চালিয়ে যাচ্ছে কিন্তু খেয়াল করে দেখবেন তাদের নিজেদেরই ওয়েসাইট নেই, তাহলে আপনি অবশ্যই তাদের হায়ার করতে যাবেন না। আবার আপনাকে এটাও খেয়াল রাখতে হবে যে আপনি যাদের সার্ভিস নিচ্ছেন তাদের রিভিও কেমন? তাদের অতীতের কাজের এক্সপেরিয়ান্স কেমন। আপনাকে আবশ্যই প্রত্যেকটি বিষয় খুব সতর্কতার সাথে পদক্ষেপ নিতে হবে। মূল সার্ভিস এবং কর্মদক্ষতাঃ কোনো এজেন্সিতে যাওয়ার সময় আপনাকে বুঝতে হবে যে ব্যাবসার উন্নয়নে ক্রিয়েটিভ ডিজিটাল এজেন্সি কি করে। একটি এজেন্সির মূল সেবাগুলি এবং তাদের ভালো মানের প্রোজেক্টগুলি বিবেচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। প্রতিটি এজেন্সির ডিজাইন টিম, ডিজিটাল মার্কেটিং টিম, বিজ্ঞাপন টিম, ওয়েব ডিজাইন টিম বা ওয়েব ডেভলপমেন্ট টিম তাদের প্রত্যেকের নিজস্ব সেবার তালিকা রয়েছে। আপনি সহজেই একটি এজেন্সির ওয়েবসাইট থেকে তাদের মূল সেবা সম্পর্কে তথ্য পেতে পারেন। সার্ভিসগুলি কতটা কার্যকর এবং সেগুলি আপনার প্রয়োজনীয়তার সাথে প্রাসঙ্গিক কিনা তা পরীক্ষা করাও গুরুত্বপূর্ণ। কোন ক্রিয়েটিভ এজেন্সি সেরা হওয়া সত্ত্বেও যদি তাদের সার্ভিস আপনার চাহিদা যথাযতভাবে পূরণ করতে না পারে তবে অবশ্যই এটি আপনার পক্ষে উপযুক্ত নয়। কোনো এজেন্সি তাদের প্যাকেজিং পরিকল্পনায় যে সার্ভিস গুলি দিয়েছে সেগুলি আপনার কাঙ্ক্ষিত ব্যবসায়িক প্রকল্পের সাথে পুরোপুরি সম্পর্কিত কিনা তা নিশ্চিত করা হলো মূল বিষয়। মনে করুন আপনি আপনার বিজ্ঞাপন এজেন্সি প্রোজেক্টটি চালানোর জন্য কোনো স্মার্ট এজেন্সির সন্ধান করছেন। সেক্ষেত্রে প্লটটি তৈরি করতে আপনাকে কোনো বিজ্ঞাপন এজেন্সি নির্বাচন করার মানদণ্ডটি দেখতে হবে। শুধু তাই নয়, আপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাকে আরো এগিয়ে নিতে সেই সার্ভিসগুলির শক্তিও একটি উল্লেখযোগ্য বিবেচ্য বিষয়। যোগাযোগব্যবস্থাঃ একটি ডিজিটাল এজেন্সিকে অবশ্যই আপনার পরিকল্পনা, স্বপ্ন সঠিকভাবে বুঝতে হবে। আপনার ব্যবসার বর্তমান পরিস্থিতি, আপনার স্বল্প-মেয়াদী লক্ষ্য, মধ্য-মেয়াদী এবং দীর্ঘমেয়াদে আপনার ব্যবসায় লক্ষ্য অবশ্যই এজেন্সিকে জানতে হবে। কেবলমাত্র একটি কারণ যা আপনার এবং আপনার এজেন্সিটির মধ্যে একটি দুর্দান্ত পার্টনারশিপ তৈরি করতে সহায়তা করে তা হল যোগাযোগ। সুতরাং, নিঃসন্দেহে, কোনো এজেন্সি থেকে আপনি যে ধরনের সেবা গ্রহণ করেন, যোগাযোগ সেখানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। সুতরাং নিশ্চিত হয়ে নিন যে তাদের মধ্যে যোগাযোগের ভাল দক্ষতা আছ কিনা। অবশ্যই খেয়াল করতে হবে তারা সহজেই আপনার ব্যবসা বুঝতে পারে কিনা এবং আপনার প্রয়োজন অনুসারে কাজ করতে পারবে। জরুরী প্রয়োজনে একটি সঙ্কটজনক পরিস্থিতি পরিচালনা করার জন্য ক্রিয়েটিভ এজেন্সির কার্যকর যোগাযোগ খুব ই গুরুত্বপূর্ণ। কখনো কখনো, আপনার ব্যবসাটি ভালোভাবে পরিচালনা করতে আপনার জরুরি সমস্যা সমাধানের প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং, এমন কোনো এজেন্সির সাথে চুক্তিবদ্ধ হোন যারা যে কোনো সময় যোগাযোগ করতে প্রস্তুত এবং যারা প্রোফেশনাল সম্পর্ক বজায় রাখে। বাজেট ফ্রেন্ডলি প্যাকেজঃ যেহেতু আপনি অর্থ ব্যয় করছেন, আপনার বিনিয়োগের বিনিময়ে আপনি কতটা রির্টান পেতে পারেন তাও জানা জরুরি। আপনি সবে শুরু করেছেন বা ইতিমধ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন তাও বিবেচনাধীন। আপনার ব্যবসার পরিচালনার সময় খরচ কমে গেলে আপনার আয় এর মাত্রা বাড়বে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে একটি মার্কেটিং এজেন্সি বাছাই করার আগে আমাদের মতামত হলো, আপনার ব্যাবসায় একটা এজেন্সি কতটা ভ্যালু বাড়াবে সেটা খেয়াল করবেন। সাশ্রয়ী মূল্যের বাজেটও আপনার বিবেচনায় রাখা উচিত। একটি চুক্তি এমনভাবে করুন, যাতে এটি ভাল মানের হয়, এবং এর জন্য সময় নিয়ে চিন্তা করতে পারেন। মনে রাখবেন, একটি সুপরিচিত মার্কেটিংকোম্পারি আপনার ব্যবসায়িক সফলতায় অনেকভাবেই সহযোগিতা করতে পারে। ভালো
প্রোডাক্ট সেলের জন্য কম্পিটিটর এনালাইসিস কেন গুরুত্বপূর্ণ?

কোনভাবেই সেলস জেনারেট করতে পারছি না। আমাদের ভুল হচ্ছে না তো কোথাও? হাজার হাজার টাকা ইনভেস্ট করছেন? ফেসবুক অ্যাড দিচ্ছেন, মার্কেটিং করছেন, বিভিন্ন লোকেশনে অ্যাড দিচ্ছেন, বিভিন্ন টারগেটিং করে অ্যাড দিচ্ছেন, বিভিন্ন অ্যাড অবজেক্টিভে অ্যাড দিচ্ছেন কাস্টমার কুয়েরিও পাচ্ছেন তারপর ও সেল হচ্ছে না!! আসলেই অবাক করা ব্যাপার তাই না?? এবং হতাশাজনক অবশ্যই। আচ্ছা সমস্যা মার্কেটিংয়ে না হয়ে সমস্যা অন্য জায়গায় না তো? আমার তো মনে হয় অন্য জায়গায়। তাহলে কি আমাদের কম্পিটিটর এনালাইসিস এ ভুল হচ্ছে? হয়তোবা তাই। তাহলে আমাদের এই সমস্যা থেকে উত্তরণের উপায় কি। “কম্পিটিটর এনালাইসিস” চলুন তাহলে এই তুচ্ছ জ্ঞানে সংক্ষিপ্ত আকারে কোন একটা সমাধান বের করার চেষ্টা করি। আমি আমার চোখের সামনে অনেক অনেক উদ্যোক্তাকে দেউলিয়া হয়ে যেতে দেখেছি। অনেক স্টার্টাপ এজেন্সিকে তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিতে দেখেছি। কারণ তারা কোনভাবেই নিজেদের খরচ পুষিয়ে লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছিল না। তাহলে আমরা এসব সমস্যা কিভাবে কাটিয়ে ব্যাবসায় পুরাদমে গতি ফিরিয়ে আনতে পারি? প্রথমতঃ আমাদের একজন উদ্যোক্তা হিসাবে প্রয়োজন ইনভেস্টমেন্ট এর মাইন্ডসেট বদলানো। এবং যেকোন ব্যবসার শুরু থেকেই প্রফিট এর আশা করলে আমাদের ভুল হবে। যেকোন কোন ব্যবসার ইনভেস্টমেন্ট অনেক ধরনের হতে পারে, হতে পারে সেটা সময়,মেধা,অর্থ,প্রাতিষ্ঠানিক ব্যয় ইত্যাদি। দ্বিতীয়তঃ আমরা সবথেকে বেশী যে ভুলটা করে থাকি তা হলো, আমরা প্রফিট এর দিকে তাকিয়ে থেকে আমাদের হেড টু হেড কম্পিটিটর দিকে তাকানোর কথাই ভুলে যাই। ভুলে যাই আমাদের কম্পিটিটররা ঠিক একই ধরনের সার্ভিস দিতে গিয়ে কি কি ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করছে। আমরা কোনভাবে বোঝার চেষ্ঠাই করিনা আসলে সব ধরনের লোকসান,লোকসান নয়। অনেক ধরনের লোকসান এক প্রকার ইনভেস্টমেন্ট এর থেকেও দীর্ঘমেয়াদে বেশী কাজে দেয়। কম্পিটিটর এনালাইসিস কেন এত জরুরী? কম্পিটিটর এনালাইসিস আপনাকে বুঝতে সাহায্য করে যে গ্রাহকরা কেন আপনার বা আপনার প্রতিযোগীদের কাছ থেকে কোন সার্ভিস নিতে আগ্রহী হয় এবং আপনার প্রতিযোগিরা কীভাবে তাদের পণ্য/সেবাগুলো বিক্রয় করছে। সময়ের সাথে সাথে, এটি আপনাকে আপনার নিজের মার্কেটিং স্ট্রাটেজিকে আরো উন্নত করতে সহায়তা করে। আপনার মার্কেটিং গ্যাপগুলো চিহ্নিত করার জন্য হলেও আপনার কম্পিটিটর এনালাইসিস করা উচিৎ। আপনি যখন কম্পিটিটর রিসার্স করেন, আপনি আপনার প্রতিযোগীদের শক্তি এবং দুর্বলতা বিশ্লেষণ করছেন এবং তা উপলব্ধি করছেন। আপনি সাম্প্রতিক ডাটা বিশ্লেষন করলে পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখতে পাবেন যে, আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকের বিশাল একটি অংশ রয়েছে যারা কোন না কোনভাবে আপনার কম্পিটিটরদের কাছে বিরূপ প্রতিক্রিয়ার শিকার হচ্ছে। এটি আপনার গ্রাহকদের কাছে পৌঁছানোর জন্য একটি অনন্য অবস্থানে রাখতে পারে। কম্পিটিটর এনালাইসিস আপনাকে আরো যেভাবে সাহায্য করতে পারে নিজের সার্ভিস সম্পর্কে আত্মতৃপ্তি এড়াতে সহায়তা করে আপনার ব্র্যান্ড সতর্কতা তৈরিতে সহায়তা করে আত্ননির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে ভিন্নতার দিকে ইতিবাচক উৎসাহ দেয় এটি আপনাকে নতুন ট্রেন্ডগুলি সনাক্ত করতে এবং সুবিধা নিতে সহায়তা করে কম্পিটিশন আপনার অগ্রগতির অপ্রত্যাশিত অংশীদার হতে পারে এটি আপনাকে পারস্পরিক সহায়তা ও শিক্ষার দিকে উৎসাহিত করে। কম্পিটিটর এনালাইসিস এবং প্রাইসিং কেন এত জরুরী, সেটা বোঝাতে এখন একটা উদারহন তুলে ধরা যাকঃ মনে করুন আপনি কোন একটি ডিজিটাল মার্কেটিং এজেন্সির স্বত্তাধীকারি। আপনার কোন একটি ডিজিটাল সার্ভিস অথবা ডিজিটাল প্রোডাক্ট ব্যবহার উপযোগী করে গড়ে তুললে আপনার খরচ পড়েছে ১০ হাজার টাকা। সেক্ষেত্রে ঐ সার্ভিসটি কারো কাছে যদি আপনি সেল করতে চান, আপনার অবশ্যই ইনটেশন থাকবে প্রফিট বের করা আর এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু আপনি যখন একজন ক্রেতার রোল প্লে করবেন তখন যদি আপনি ঐ একই সার্ভিস/প্রোডাক্ট ৬ হাজার টাকায় কারো কাছ থেকে পেয়ে যান সেক্ষেত্রে তো আপনি ১০ হাজার টাকা ব্যয় করতে যাবেন না। তাই আমাদের নতুন উদ্যোক্তা হিসাবে একটা কাস্টমার বেইজ তৈরি করার জন্য এবং ট্রাস্ট বিল্ড করার জন্য হলেও আমাদের কম্পিটিটরদের তুলনায় ভালো মানের সার্ভিস কম্পিটিটরদের দামেই দিতে হবে। তা নাহলে অলরেডি মার্কেটে যার একটা সুনাম আছে সে কেনো আমার মত একটা নতুন এজেন্সির কাছ থেকে সার্ভিস নিতে যাবে। এক্ষেত্রে আমাদের লস হলেও আসলে এই লসই হবে আমাদের সবথেকে উৎকৃষ্ঠমানের ইনভেস্টমেন্ট। তাই আমাদের উচিৎ হবে শুধুমাত্র প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর দিকে না তাকিয়ে থেকে, সার্ভিসকে সহজ এবং গ্রাহকদের সকল দিক বিবেচনা করে ডিজাইন করা। আমাদের উদ্ভাবন করতে হবে কিভাবে আমরা একই ধরনের প্রোডাক্ট/সার্ভিস প্রতিযোগীদের থেকে মান ভাল রেখে তুলনামুলক কম দামে সরবরাহ করতে পারি। আর সবথেকে বড় কথা হল, অনলাইনে আমরা শুধু দেখেই প্রোডাক্ট কিনি, ছুঁয়ে বা ডুরাবিলিটি দেখে না। তাই কাস্টমারদের বিশ্বাস অর্জনও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। কারন আপনার প্রোডক্ট বা প্রতিষ্ঠানের উপর যখন কোন গ্রাহকের বিশ্বাস অর্জন হবে, তখন সে আপনার হয়ে অ্যাডভার্টাইজিং এর কাজ করে দিবে। একই ধরনের প্রোডাক্ট বা সার্ভিস এর জন্য অবশ্যই সে তার পরিচিতজনদের রিকোমেন্ড করবে। পরিশেষেঃ ডিজিটাল মার্কেটিং এভাবেই দুর্দান্ত গতিতে এগিয়ে চলেছে। আপনাকে এই গতির সাথে মানিয়ে নেবার সক্ষমতা অর্জন করতে হবে। যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগের ধরন ও প্রকৃতিতে ক্রমাগত পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং এর মাধ্যমে কম খরচে এবং পরিমাপযোগ্য উপায়ে এমন এক বিশাল সংখ্যক দর্শকের কাছে পৌঁছে যেতে পারেন যারা আপনার বিজনেসের জন্য আদর্শ। আপনার টার্গেট কাস্টমার গ্রুপের সম্পর্কে জানুন, পরিকল্পনা করুন, ডিজিটাল মাধ্যম ব্যবহার করে মার্কেটিং করুন আর বিজনেস বাড়ান। আপনি ও পারেন আপনার প্রয়োজনীয় সেবাটি গ্রহন করতে। আমরা চেষ্টা করবো আপনাকে সঠিক সার্ভিস দিতে। সেবা নিতে আপনার মোবাইল নাম্বার ও পেজ লিঙ্ক সহ কাজের ধরন সুন্দর করে মেসেজ করতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেইজে। অথবা আমাদের কল করুন।